ইসলাম অপার মহিমার রমজান রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন, দান মানুষের পাপ মিটিয়ে দেয়



( ব্লগার )

এপ্রিল 10, 2018

ফীচার্ড

7

1,288

হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) ছিলেন পৃথিবীর জন্য অনুপম আদর্শের সর্বোত্তম দৃষ্টান্ত। তিনি তার জীবন ও কর্মের মাধ্যমে কল্যাণের সব পথেই পদচিহ্ন রেখে গেছেন। এ জন্য আল্লাহতায়ালা কোরআনে কারিমে ইরশাদ করেন, ‘তোমাদের জন্য রয়েছে রাসূলের জীবনে উত্তম আদর্শ।’ -সূরা আল আহজাব

হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর চারিত্রিক গুণাবলীর অন্যতম দিক দানশীলতা। জন্মগতভাবে তিনি ছিলেন দানশীল ও উদার। তিনি যখন দুধের শিশু তখনও দুধ মায়ের একটি স্তন পান করতেন এবং অপরটি দুধ ভাই আবদুল্লাহর জন্য ছেড়ে দিতেন। -সিরাতে খাতামুল আম্বিয়া
নবুওয়ত লাভের পূর্ব ও পরে কখনও কেউ তার কাছে কিছু চেয়ে নিরাশ হয়নি। নবুওয়ত লাভের পূর্বে তিনি সমাজের অসহায় দুঃস্থ মানুষের সহযোগিতার জন্য হিলফুল ফুজুল নামক একটি সামাজিক সংগঠন গড়ে তোলেন। হজরত জাবের (রা.) বলতেন, ‘রাসূল (সা.)-এর নিকট কিছু চাইলে তিনি কখনও না বলতেন না।’ -আল আদাবুল মুফরাদ
হজরত আলি (রা.) রাসূল (সা.)-এর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করে বলেন, ‘তিনি ছিলেন মানুষের মাঝে সবচেয়ে দানশীল ও প্রশস্ত হৃদয়ের অধিকারী।’ -শামায়েলে তিরমিজি
রমজানে রাসূল (সা.)-এর দানের হাত আরও প্রসারিত হতো। হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) ছিলেন সবচেয়ে বেশি দানশীল। তিনি আরও দানশীল হয়ে উঠতেন যখন হজরত জিবরাইল (আ.) রমজানে তার সঙ্গে দেখা করতেন। হজরত জিবরাইল (আ.) তার সঙ্গে রমজানের প্রতি রাতে তার সঙ্গে দেখা করতেন। তারা পরস্পরকে কোরআন শোনাতেন। হজরত জিবরাইল (আ.) যখন তার সঙ্গে দেখা করতেন, তখন তিনি প্রবাহমান বাতাসের মতো কল্যাণময়ী ও দানশীল হয়ে উঠতেন। -সহিহ বোখারি
হাফেজ ইবনে হাজার আসকালানি (রহ.) বলেন, প্রবাহমান বাতাস যেমন সর্বশ্রেণির উদ্ভিদ ও প্রাণীর জন্য কল্যাণকর, রাসূল (সা.)-এর আগমন ছিলো এমনই কল্যাণের বার্তাবাহক। তার দানের হাতও ছিলো- এমনই উদার ও প্রশস্ত। -ফাতহুল বারি
অর্থাৎ হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) সকল সংকীর্ণতার উর্ধ্বে উঠে সর্বশ্রেণির মানুষকে মুক্ত হাতে দান করতেন। রমজানে তা আরও

রিয়াদ নোমান

সামান্য লিখার চেষ্টা! ইহা সামান্য নয় ।

Related Posts